ঢাকা,২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ১২ই আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

কোম্পানীগঞ্জের সভায় খান জামাল। দুর্নীতিতে নিমজ্জিত আওয়ামীলীগ পঁচে গেছে

Polish_20220830_005920829.jpg

সিলেট জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক, জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল আহাদ খান জামাল বলেছেন ভোট চুরি করে ক্ষমতা আঁকড়ে থাকা সহ সর্বক্ষেত্রে দুর্নীতি ও লুটপাটে নিমজ্জিত আওয়ামী সরকার পঁচে গেছে। তাদের দুর্গন্ধে জনজীবনে দুর্ভোগ নেমে এসেছে। পরিত্রাণের জন্য জাতি আওয়ামী দুঃশাসন থেকে মুক্তি চায়। এ অবস্থা থেকে পরিত্রাণের একমাত্র পথ হচ্ছে রাজপথে ফায়সালা। সোমবার বিকেলে কোম্পানিগঞ্জ উপজেলার তেলিখাল ও দক্ষিণ রনিখাই ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের কর্মিসভা ও তথ্য উপাত্ত ফরম বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথাগুলো বলেন।
স্থানীয় ধলইরগাও বাজারে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন কোম্পানিগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক এডভোকেট আলাউদ্দিন। কোম্পানিগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব এডভোকেট আব্দুল্লাহ আল হেলালের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সিলেট জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক দেলওয়ার হোসেন চৌধুরী, আবু আহমদ আনসারী, সৈয়দ সরোয়ার রেজা, আহবায়ক কমিটির সিনিয়র সদস্য আব্দুল মুনিম।
সভার শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা সুহেল আহমদ। সভায় বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নেতা তুরু মিয়া, তাজ উদ্দিন, তোতা মিয়া, আব্দুল মালিক, উপজেলা শ্রমিকদলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আবুল বাশার বাদশা, সদস্য সচিব আনোয়ার হোসেন, উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক হিফজুর রহমান, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক কুতুবউদ্দিন, আনসার উদ্দিন, আব্দুল মজিদ বাবলু, শামসুদ্দিন, তারেক আহমদ,সদস্য মামুন আহমদ, শফিকুল ইসলাম প্রমুখ।

বাংলাদেশ গ্রামপুলিশ বাহিনী কর্মচারী ইউনিয়ন রাষ্ট্রের অবিচ্ছেদ্য একটা অংশ এবং স্হানীয় সরকার মন্ত্রনালয়ের অধীনে ইউনিয়ন পরিষদে কর্মরত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তৃণমূল পর্যায়ে গ্রামপুলিশ বাহিনী ভুমিকা রাখেন

FB_IMG_1659115045028.jpg

বাংলাদেশ গ্রামপুলিশ বাহিনী কর্মচারী ইউনিয়ন রাষ্ট্রের অবিচ্ছেদ্য একটা অংশ এবং স্হানীয় সরকার মন্ত্রনালয়ের অধীনে ইউনিয়ন পরিষদে কর্মরত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তৃণমূল পর্যায়ে গ্রামপুলিশ বাহিনী ভুমিকা রাখেন——————–+————————————————————————-+—————————————————–
দেশের সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামে মানুষের জান মালের নিরাপত্তা বিধানে প্রত্যক্ষ ভূমিকা পালন করে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে অন্যান্ন বাহিনীর পাশা পাশি গ্রামপুলিশ বাহিনী অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। এদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখায় বাংলাদেশ গ্রামপুলিশের অবদান অনস্বীকার্য। গ্রামের মানুষের জান-মাল এবং সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং কার্যকর ভূমিকা পালন করে আসছে গ্রামপুলিশ বাহিনী। সচেতন মহল অবশ্যই স্বীকার করবেন প্রায় শত বছর আগেও এদেশে শীর্ষ সন্ত্রাসীদের ভয়ে বিভিন্ন ব্যবসায়ীরা আতঙ্কিত ছিলেন, প্রতিনিয়ত চাঁদা দিতে হতো শীর্ষ সন্ত্রাসীদেরকে সেই সকল চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের দমনে সঠিক তথ্য দিয়েছেন এই বাংলাদেশ গ্রামপুলিশ বাহিনী।এদেশের অগ্রযাত্রার পিছনে সবচেয়ে বড় হুমকি হয়ে দাড়ায়- জঙ্গিগোষ্ঠীগুলো কিন্তু অত্যন্ত সফলতার সাথে বাংলাদেশ গ্রামপুলিশ বাহিনী এই জঙ্গিদেরকে নিয়ন্ত্রণে আনার ক্ষেত্রে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে বিভিন্ন ভাবে তথ্য উপাত্ত দিতে সক্ষম হয়েছে -অন্যথায় এ দেশ একটা ভঙ্গুর এবং জঙ্গিরাষ্ট্রে পরিণত হতো।
এক সময় গ্রামগঞ্জের হাট বাজারে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও স্বর্ণের দোকানে প্রায়ই সঙ্ঘবদ্ধ ডাকাতি হতো । সেই সমস্ত ডাকাতদেরকে নিয়ন্ত্রণ করে আজকে গৃহ ডাকাতি/ স্বর্ণের দোকানে ডাকাতি/ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ডাকাতি বন্ধ করার পিছনে কিন্তু বাংলাদেশ গ্রামপুলিশ বাহিনীর যথাযথ তথ্য ও সহযোগিতা অবিস্মরণীয়।
গ্রামে-গঞ্জের বাসা বাড়িতে প্রচুর চুরি বিগত দিনগুলোতে হতো, এখনো হয়, সুযোগ ফেলে সিঁদ কেটে সব কিছু নিয়ে লাপাত্তা, বাসা বাড়ি গুলোতে প্রচুর পরিমাণে চুরি হয় কিন্তু এদেরকে নিয়ন্ত্রণ, গ্রেপ্তারে সহযোগিতাও আইনি প্রক্রিয়ায় নিয়ে আসার জন্য বাংলাদেশ গ্রামপুলিশ বাহিনীই একমাত্র সঙ্ঘবদ্ধ দল, যাহারা এখনো মাঠে ময়দানে অর্ধাহারে অনাহারে স্বল্প বেতনে চাকর করে মানবেতর জীবনযাপন করে যাচ্ছে।এমনিভাবে হাজারো দৃষ্টান্ত তুলে ধরা যাবে যেখানে রয়েছে গ্রামপুলিশের ব্যাপক সফলতা আর সফলতা।
এখনো এদেশের মানুষ নিশ্চিন্তে চলাফেরা করেন ,নিশ্চিন্তে ঘুমান শুধুমাত্র বাংলাদেশ গ্রামপুলিশ বাহিনীর কারনে । কারণ বাংলাদেশ গ্রামপুলিশ বাহিনী আপনাকে পাহারা দেয় রাত জেগে । আপনি যখন ঘুমান সেই গ্রামপুলিশ কিন্তু আপনার বাড়ির নিরাপত্তা, আপনার জানের নিরাপত্তা এবং আপনার সম্পদের নিরাপত্তা দিয়ে থাকে।
দেশের যেকোনো দুর্যোগ দুর্বিপাকে সাধারণ মানুষের পাশে বাংলাদেশ গ্রামপুলিশ বাহিনী । সর্বশেষ এই করোনা কালীন সময়ে বাংলাদেশ গ্রামপুলিশ বাহিনী যে সাহস এবং মানবিকতা দেখিয়েছে তাহা সর্বমহলে প্রশংসনীয়।
রাস্ট্রের মধ্যে একমাত্র গ্রামপুলিশী সেবাই সবচেয়ে সহজলভ্য। বাংলাদেশ গ্রামপুলিশ বাহিনী যেভাবে তার কর্মপরিকল্পনাকে ঢেলে সাজিয়েছে এবং গ্রামপুলিশী সেবা যেভাবে জনগণের কাছে সহজতর করা হয়েছে, সহজলভ্য করা হয়েছে, জনগণের বাড়ি বাড়ি গিয়ে জন্ম মৃত্যু নিবন্ধনের মতো জনগুরুত্বপূর্ণ গ্রামপুলিশী সেবা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে -এই রকম আর কোন বাহিনী স্বল্প বেতনে আছে বলে আমার মনে হয় না।
একজন সাধারণ মানুষ হিসেবে আমরা যখন অন্য কোন দপ্তরে কোন সেবা প্রত্যাশী হিসেবে যাই, এরকম সহজ সেবা আমরা আমাদের জীবনে কোথাও পাইনি, এখনো পাচ্ছিনা আর ভবিষ্যতেও খুব সহজে পাব বলে আমরা অতটা আশা করি না।
বাংলাদেশ গ্রামপুলিশ বাহিনীর সাধারন সম্পাদকের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে গ্রামপুলিশ বাহিনীর ভিতরে থাকা আভ্যন্তরীণ কোন্দল মিটাতে নানামুখী, জনমুখী ও গণমুখী করার পদক্ষেপ হাতে নিয়েছি। সাম্প্রতিককালে সাথে সাথে বাংলাদেশকে মাদক মুক্ত করার জন্য বিভিন্ন বাহিনীর পাশাপাশি আমরা বাংলাদেশ গ্রামপুলিশ বাহিনী ও একটা চ্যালেঞ্জ হাতে নিয়েছি-সেই চ্যালেঞ্জে বাংলাদেশের সকল জেলা ও থানা গ্রামপুলিশদের সম্পৃক্ত করেছি।
পরিশেষে এটুকু বলতে চাই, বাংলাদেশ গ্রামপুলিশের প্রত্যেকটি সদস্য এই সমাজ থেকে উঠে আসা সাধারণ মানুষ। সমাজে এবং আপনার নিজ ঘরে যেরকম ভালো এবং খারাপ মানুষের সংমিশ্রণ আছে ,তেমনি ভাবে সরকারি- বেসরকারি প্রত্যেকটা জায়গায় ভালো এবং খারাপ মানুষও আছে । তেমনি ভাবে বাংলাদেশ গ্রামপুলিশ বাহিনীর ভিতরে ও ভালো- খারাপ থাকতে পারে সন্দেহের অবকাশ নেই। তাদেরকে সঠিক ভাবে রাস্ট্রর দেয়া অর্পিত দায়িত্ব যথাযথ ভাবে পালণ করার জন্য সাংগঠনিক ভাবে কঠোর হুশিয়ারি দেয়া হয়। রাস্ট্র হতে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ,দুর্নীতিবাজ হঠানো যেমন সময়ের দাবি তেমনি ভাবে সমাজকে সঠিক পথে পরিচালিত করা, সমাজের মানুষকে সঠিকভাবে পরিচালিত করা এবং আগামী প্রজন্মকে দেশপ্রেমিক, সৎ এবং সুনাগরিক তৈরি করা অত্যন্ত জরুরি, তবেই দীর্ঘমেয়াদী পরিবর্তন আশা করা যায়।
সর্বশেষে বলি, মনে রাখবেন আজকে যে গ্রামপুলিশ রাস্ট্রের নিকট অবহেলিত সে আর কেউ নন সেই আপনার গ্রামের প্রকৃত বন্ধু, এই গ্রামপুলিশ আপনার দুর্দিনের সহযাত্রী, এই গ্রামপুলিশ আছে বলেই নির্বিঘ্নে রাতে বাসায় ঘুমাতে পারছেন।
ঈদ এবং বিভিন্ন পূজা পার্বণে আপনি যখন পরিবারের সাথে সুন্দর করে সময় কাটান, সেই সময় বাংলাদেশ গ্রামপুলিশের সদস্যরা নিজ পরিবারকে একা ঘুমিয়ে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।

আমিও আপনাদের মতই একজন সাধারণ নাগরিক। গ্রামপুলিশরা আপনাদের থেকেই উঠে আসা আপনার সমাজের একজন নাগরিক। আসুন গ্রামপুলিশের হাতকে শক্তিশালী করুন, সঠিক তথ্য দিন, অন্যকে দোষারোপ করার আগে নিজের চেহারাটা একটু আয়নায় দেখে নিই তবেই সমাজে সত্যি কার অর্থে পরিবর্তন আসবে।
ধন্যবাদান্তেঃ- ফারুক আহমেদ ফালু যুগ্ন সাদারণ সম্পাদক কেন্দ্রীয় কমিটির ঢাকা ২৩/২/ তোপ খানা রোড সভাপতি গ্রাম পুলিশ বাহিনী কর্মচারী ইউনিয়ন সিলেট জেলা শাখা

দেশ পরিচালনায় ব্যর্থ সরকারের নেতাকর্মীরা ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে –এডভোকেট মোমিন

IMG-20220719-WA0034.jpg

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে নিয়ে ঢাকা মহানগর দক্ষিন আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মান্নাফীর কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যের প্রতিবাদে এবং অভিলম্বে এই ধৃষ্টতাপূর্ণ বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবিতে সিলেট জেলা ও মহানগর জাতীয়তাবাদী যুবদলের উদ্যোগের সিলেট নগরীতে মিছিল সমাবেশ অনুষ্টিত হয়েছে।

(১৯ জুলাই) মঙ্গলবার বিকাল ৫টায় নগরীর জিন্দাবাজার প্রতিবাদ মিছিলটি শুরু হয়ে নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে কোর্ট পয়েন্টে এসে এক প্রতিবাদ সমাবেশে মিলিত হয়। সিলেট মহানগর যুবদলের সদস্য সচিব শাহ নেওয়াজ বখত চৌধুরী তারেক ও জেলা যুবদলের সদস্য সচিব মকসুদ আহমদের পরিচালনায় উক্ত প্রতিবাদ সমাবেশে সভাপতির বক্তব্য রাখেন সিলেট জেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক এডভোকেট মোমিনুল ইসলাম মোমিন।

তিনি বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশের মানুষ যখন দেশনায়ক তারেক রহমানের সুযোগ্য নেতৃত্বের অপেক্ষায় প্রহর গুনছেন ঠিক সেই মূহুর্তে ব্যর্থ এই অবৈধ সরকারের লালিত নেতাকর্মীরা তারেক রহমানের বিরুদ্ধে নানা ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে। বর্তমান সরকার অনুভব করছে তাদের পায়ের নিচে আর মাটি নেই। সেদিন আর বেশি দূরে নয়। যেদিন বাংলাদেশে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত হবে। তাই আগামীর রাষ্ট্রনায়ক তারেক রহমানকে হেয়প্রতিপন্ন করতে তাদের উঠে পড়ে লেগেছে। তিনি সকল ষড়যন্ত্র রুখে দিতে যুবদল সহ বিএনপি নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।

প্রতিবাদ সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন, সিলেট মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আনোয়ার হোসেন মানিক, জেলা সদস্য আখতার আহমদ, মহানগর সদস্য তোফাজ্জল হোসেন বেলাল, সুহেল মাহমুদ, জেলা সদস্য লিটন আহমদ, কয়েস আহমদ, মহানগর সদস্য এমদাদুল হক স্বপন, মোজাহিদুল ইসলাম জাহাঙ্গীর, জামিল আহমদ, জেলা সদস্য মাহফুজ চৌধুরী, রায়হান আহমদ, মকসুদুল করিম নুহেল, মহানগর সদস্য মির্জা সম্রাট, ইসহাক আহমদ, সদর উপজেলা নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সদর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক আবুল হাসনাত, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক সাজ্জাদ হোসেন দুুদু, দক্ষিণ সুরমা উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক বাবর আহমদ রনি, সদর উপজেলার সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আইনুল হক, খালেদ আহমদ, কামাল আহমদ, এম এ সালাম, দক্ষিণ সুরমার যুগ্ম আহ্বায়ক আলী আহমদ, বাবলু, হুমায়ুন, জৈন্তাপুর উপজেলার সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সোহেল আহমদ, ফয়জুল হাসান, সাব্বির আহমদ, গোলাপগঞ্জ উপজেলার যুগ্ম আহ্বায়ক আজিজুর রহমান আজিজ, ১২নং ওয়ার্ড যুবদলের আহ্বায়ক লাহিন আহমদ, ২০নং ওয়ার্ড যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক করুনাময় সিংহ, ২৪নং ওয়ার্ড যুবদলের আহ্বায়ক নাজিম আহমদ, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক জাকুয়ান হোসেন, ২৩নং ওয়ার্ড যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মিজান আহমদ, যুগ্ম আহ্বায়ক নান্নু আহমদ, ২নং ওয়ার্ড যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক রবিন আচার্য্য, মহানগর যুবদল নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন এম এ সালাম, তারেকুল ইসলাম, সুয়েব আহমদ, আহমেদ শিপন, হিবজুর বিশ্বাস রাজু, সাঈদ আহমদ দীপক, রহমত আলী টিপু, আহমেদ খান জুনেদ, দিপন চৌধুরী, রায়হান আহমদ, আশরাফুল তালুকদার, রাকিবুল হাসান হারুন, আব্দুল মান্নান ইমন, সাজু মাহমুদ প্রমুখ। বিজ্ঞপ্তি

২নং ইসলামপুর ইউনিয়ন বিএনপি’র ৭নং ও ৮নং ওয়ার্ডের উদ্যোগে ঈদ পূর্ণমিলনী অনুষ্ঠান সম্পন্ন

Polish_20220713_190955468.jpg

সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ২নং ইসলামপুর ইউনিয়ন-বিএনপি’র ৭নং ও ৮নং ওয়ার্ডের উদ্যোগে ঈদ পূর্ণমিলনী অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। ১৩ জুলাই বুধবার বিকাল সাড়ে ৪টায় রাজনগর নতুন বাজার অস্থায়ী কার্যালয়ে ঈদ পূর্ণমিলনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

৮নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আনিসুর রহমান এর সভাপতিত্বে ও ৭নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আব্দুর রহিম এর পরিচালনায় ঈদ পূর্ণমিলনী অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সিনিয়র নেতা মোঃ শামীম আজাদ, বিএনপির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুক মেম্বার, দপ্তর সম্পাদক এডভোকেট আব্দুল্লাহ আল হেলাল, ইসলামপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জসিম উদ্দিন জসু, যুগ্ম সম্পাদক আবু সালাম, বিএনপির নেতা জসিম উদ্দিন, ৮নং ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক আফসর মিয়া,

আরও উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন যুবদল নেতা মাসুক মিয়া, ইব্রাহিম মিয়া, সাদ্দাম হোসেন, আলী হোসেন, সেচ্ছাসেবক দল নেতা সাদ্দাম হোসেন, জালাল আহমদ, ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সভাপতি কবির মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক  জালাল আহমদ, শ্রমিক দল নেতা নজির মিয়া, খোরশেদ আলম, আজিজ মিয়া, মুগ্গুল মিয়া, কাসেম মিয়া, জসিম উদ্দিন প্রমূখ।

শেষে বিএনপি চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনা করে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

scroll to top